ইতিহাস

নিভৃত পল্লীর বুকে নলসন্ধ্যা নদীর তীরে. মনোরম পরিবেশে সাধুটি গ্রামে জ্ঞানের সকাল হাতে নিয়ে জল নিল ক্ষনজন্ম মোঃ নজিব উদ্দিন তালুকদার এবং মোঃ নসর উদ্দিন তালুকদার। তাহারা দুই ভাই, দুই বোন। পিতা মোঃ ফয়েজ উদ্দিন ,স্ত্রীর নাম ঃ মেহেরজান বেগম। নজিব উদ্দিন তালুকদার ছিলেন গুনধর ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন মানব সেবী মহা পুরুষ। মানুষের কল্যানের কথাই সর্বদা চিন্তা করতেন। এ চিন্তার ধারা বার্হিকতার তাঁর পরিবার বর্গ এবং এলাকার গন্যমান্য সুধীবর্গের অনুপ্রেরনায় ১৯৩০ ইং সনে নিজস্ব ৩(তিন) একর ভূমির উপর স্থাপন করেন একটি ছোট মক্তব। ছোট মক্তবটি হাঁটি হাঁটি পা পা কওে ১৯৩৫ ইং সনে সাধুটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরিনত হয়। ক্রমোন্নতির ধারা বার্হিকতায় ১৯৩৯ ইং সনে জুনিয়র স্কুল হিসাবে প্রকাশিত হয়।  এমতাবস্থায় স্কুলটি তিল তিল করে জ্ঞানের আলো বিস্তার করতে থাকে। ১৯৬৯ ইং সনে সাধুটি নজিব উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় হিসাবে সারা দেশে সু পরিচিতি লাভ করে। এখনো বিদ্যালয়টি চির প্রজ্জমিত সূর্যের ন্যায় জ্ঞানের আলো সারা দেশে বিস্তার করে আসিতেছে। এ মহান কীর্তিমান ব্যক্তির কৃতিত্বের কারনে এলাকাবাসী কৃজ্ঞ এবং ধন্য। এলাকাবাসীর  প্রত্যাশা - হে নজিব উদ্দিন তালুকদার- দরর্শন চাই বারংবার, তোমার বিদ্রেহী আত্মার। তাঁর মৃত্যু সন ১৯৫০ ইং ( ১৩ ই আষাড়) । আরও উজ্জীবিত হোক তোমার প্রতিষ্ঠান, অমর হোক তোমার আত্মা দীর্ঘজীবি হোক তোমার বংশধর, কীর্তিমান হোক তারাও।